শীত আসতেই ঝাড়গ্রামের কেচন্দা বাঁধে পরিযায়ী পাখিদের ভীড়
দি নিউজ লায়ন ; শীত আসার মুখেই ঝাড়গ্রাম জেলার ঝাড়গ্রাম ব্লকের রাধানগর অঞ্চলের কেচন্দা বাঁধে পরিযায়ী পাখির দল ভিড় জমায়। সারাবছর পরিযায়ী পাখিদের দেখার জন্য মানুষ অপেক্ষা করে থাকেন। আর পরিযায়ী পাখির দল আসার পর কেচন্দা বাঁধে পর্যটকদের ঢল নামে ।ঝাড়গ্রাম শহর লাগুয়া রাধানগর অঞ্চলের কেচন্দা গ্রামে প্রায় সাড়ে ৩০০ বিঘা জমির উপর একটি বাঁধ তেরি করেছিলেন ঝাড়গ্রামের মল্লদেব রাজপরিবার।
রাজপরিবারের উদ্দেশ্য ছিল ওই এলাকার মানুষ তাদের চাষের কাজে বাঁধ এর জল ব্যবহার করবে। যার ফলে ওই এলাকার চাষিরা সব থেকে বেশি উপকৃত হবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ওই বাঁধ টি সংস্কার করা হয়নি। রাজ্যে বাম জমানায় ৩৪ বছরে সংস্কারের কোন চিন্তাভাবনা হয়নি। রাজ্যে ২০১১ সালে পরিবর্তন হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওই বাঁধ টি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। তবে এখনও ঠিকভাবে বাঁধ টি সংস্কার এর কাজ শেষ করা হয়নি। কিন্তু পরিযায়ী পাখিদের আসা যাওয়া বন্ধ হয়নি।
শীতের মুখে পরিযায়ী পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে ওই এলাকায় আসে এবং যখন শীত শেষ হতে যাচ্ছে ঠিক সেই সময় ওই এলাকা থেকে তারা আবার ভিনদেশে উড়ে চলে যায়। তাই এবারও রবিবার থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখির দল আসতে শুরু করেছে।আর তা দেখার জন্য কেচন্দা বাঁধে ইতিমধ্যেই পর্যটকের ঢল নামছে। সেইসঙ্গে এলাকার বাসিন্দারাও খুব খুশি। পরিযায়ী পাখিদের কলরব শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
তাই ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখির দল এসে কেচন্দা বাঁধে বাসা বাঁধছে। তাই খুশিএলাকার বাসিন্দারা। সেইপরিযায়ী পাখির দল কে দেখার জন্য যাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। তবে পাখিগুলির যাতে কেউ ক্ষতি না করতে পারে তার জন্য এলাকার বাসিন্দারা সতর্ক রয়েছেন।
অনেকেই পাখিকে মেরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসে।তাই যাতে পাখি কে কেউ না মারে তার জন্য এলাকার বাসিন্দারা নজর রাখছেন কেচন্দা বাঁধের উপর। তাই শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসছে পরিযায়ী পাখির দল। যার ফলে খুশি এলাকার বাসিন্দারা, সেইসঙ্গে খুশি ঝাড়গ্রাম জেলায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা।

Post a Comment